ফেসবুকের অভিযোগ

Facebook complains,Facebook,facebook complaints online
Facebook complains

মিথ্যে খবর ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগে ফেসবুক নিজেদের বাঁচাতে ডিফাইনার্স নামে একটি জনসংযোগ কে প্রচারে নামিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জর্জ সোরোস।
সিলিকন ভ্যালির প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলির নামের নেতিবাচক খবর ছাড়ানোর অভিযোগও ছিল সংস্থার বিরুদ্ধে। প্রথম থেকে সেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিল ফেসবুক। সম্প্রতি একটি মার্কিন সংবাদপত্রে প্রকাশের পর শেষমেশ রণে ভঙ্গ দিল এই সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা। ফেসবুকে জনসংযোগ বিভাগের মুখ্য অধিকারক এলিয়ট স্কাজ্ কার্যত অভিযোগের সত্যতা অধিকাংশ ভাবে মেনে নিয়েছেন। সংস্থার কর্মীদের তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন, জনসংযোগ সংস্থা ডিফাইনার্সকে ফেসবুক ব্যবহার করছে।আর এই দাই তঁারই।
স্কাজ‌‌‌ের পোষ্টের প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্বীকার করছেন ফেসবুকের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শেরিল স্যান্ডবার্গ। সংস্থার বিভিন্ন ই-মেইল ও নথিতে  ডিফাইনার্সের  উল্লেখের কথাও স্বীকার করেছেন তিনি।
 তবে মার্ক জুকারবার্গ স্ট্যান্ডবার্গের মতো স্কাজও ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তাদের সকলেরই দাবি, ডিফাইনার্স শুধুমাত্র জনসক্ষোম প্রকাশিত সাধারন তথ্যই ব্যবহার করেছে। গোপন নজরদারি চালায়নি। অথচ এই সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে বলেছিলেন ডিভাইনার্স বলে কোন সংস্থার নাম তিনি শোনেননি।

সম্প্রতি সংবাদপত্রের রিপোর্টটি প্রকাশ এর পরে খানিকটা চাপে পড়েই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন স্ট্যান্ডবার্গ। তার পরে স্কাজের এই স্বীকারোক্তি। প্রসঙ্গত ফেসবুক ছাড়বেন বলে গত জুনে জানিয়ে দিয়েছে। অনেকের মতে প্রায় এক দশক ধরে সোশ্যাল মিডিয়া কাজ করা স্কাজ কর্মক্ষেত্রে বদলাতে চান বলে আগেই ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাই যাওয়ার আগে এই দায় স্বীকার তার পক্ষে
অনেকটাই সহজ হলো। ডিফাইনার্স নিয়ে কোন অভিযোগ টা মনে নিলেন গত বছর গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস খবর  ছড়ানোর অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছিল ফেসবুক। এ বছরের গোড়ায় দাভোসের এক সভায় সেই প্রসঙ্গে জর্জ সোরেস বলেন ফেসবুক সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। শুরু হয় ফেসবুক নিষিদ্ধ করার পাল্টা প্রচার ফ্রিডম ফ্রম ফেসবুক এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গিয়ে ডিফাইনার্সকে তারা কাজে লাগায় বলে দাবি করেছে ফেসবুক। স্কাজের দাবি তাদের সন্দেহ ছিল ফেসবুক বিরোধীদের প্রচারে টাকা ঢালছেন সোরস।

বিষয়টি সত্য কিনা তা নিয়ে খোঁজ চালায় ডিফাইনার্স। মার্কিন সিনেটের সামনে হাজির হয়ে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ আগেই মেনে নিয়েছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান মার্ক জুকারবাগ। তবে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে জুকারবাগ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যানের পদ তিনি ছাড়ছেন না।

Post a Comment

0 Comments