নজরদারি চলবে সোশ্যাল মিডিয়াতেও


Social media surveillance,Social media,social media essay,social media effects
Social media surveillance

হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ট্যুইটার, ইনস্টাগ্রামের সব পোস্টে এবার চলবে নজরদারি। সোস্যাল মিডিয়াতেও নজর চালাচ্ছে কেন্দ্র। 97 ধারার তথ্য ভুক্তি আইন সংশোধন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগে দেশে সব কম্পিউটারের কেন্দ্রের দশ গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এবার বেআইনি গতিবিধির ওপর নজর রাখতে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নজরদারি চালাতে পারে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তের সাধারণ মানুষের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফেক নিউজ গুজব ছড়ানো আটকাতে  এবার এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তি তুলে নিতে চাইছে কেন্দ্র। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ধারা পরিবর্তন করে এই অংশ দিতে চায় মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই নতুন আইনের খসড়া তৈরি হয়েছে। একপ্রস্ত আলোচনা হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধি সঙ্গেও। কিন্তু তাদের কাছে তেমন সাড়া মেলেনি তাই এবার জনতার মতামতকে হাতিয়ার করতে চাইছে কেন্দ্র মত ওয়াকিবহাল মহলের। যদিও কেন্দ্রকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং গুজব ও ভুয়ো খবর ছড়ানোর উঠতেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সংশোধিত প্রস্তাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম একটি স্বয়ংক্রিয় মেশিন ইন্সটল করবে সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেআইনি তথ্য বা প্রতিবেদনগুলো প্রতিরোধে নিজের মতো করেই কাজ করবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রত্যেক মেসেজ, ছবি, ভিডিও বা ভাইরাল পোস্টে নজরদারি চালাবে কেন্দ্র। যদিও কোন পোস্ট বা মেসেজে বেআইনি শব্দ বা দেশদ্রোইিতা সংক্রান্ত শব্দ থাকে তা বাতিল হয়ে যাবে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে 2018 সালে বেশ কয়েকটি গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তার বেশিরভাগই উৎস গুজব বা ভুয়ো খবর,সেগুলি ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হয়েছিল। কিন্তু এই সব ফেক নিউজ কোথা থেকে বা কে ছড়িয়েছিল, তা জানা যায়নি ওই এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তির জন্যই ।
এই আইনের খসড়া নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করে কেন্দ্র। ছিলেন গুগল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, আমাজন, ইয়াহু, টুইটার, শেয়ার চ্যাট এর মত তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার পাশাপাশি সেবি এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা ছিলেন ওই বৈঠকে। সংস্থাগুলিকে আগামী 7 জানুয়ারি পুনরায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের অধিকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে বলা হয়েছে। তার পর 15 জানুয়ারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হলেও কেন্দ্রের থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে সরকার নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

Post a Comment

0 Comments